Carbo Vegetabilis

Dr. Md. Anas Sarkar
By -
0

Carbo Vegetabilis

ঔষধ পরিচয়, নরেন্দ বন্দোপাধ্যায় (হোমিওপ্যাথি মেটেরিয়া মেডিকা)


স্বাস্থ্যহানীর অতীত কাহিনী।

Carbo Veg সাধারণতঃ তরুণ রোগে বেশী ব্যবহার হয় কিন্তু ইহা একটি সুগভীর ঔষধ অর্থাৎ পুরাতন রোগেও ইহার ক্ষমতা কম নয়। বিশেষতঃ কোন তরুণ রোগের পর রোগী যখন তাহার পুর্ব স্বাস্থ্য ফিরিয়া পাইতে পারে না বা স্বাভাবিক অবস্থায় পৌছিতে বিলম্ব হইয়া থাকে, যেমন ধরুন নিউমোনিয়ার পর হইতে একটু ঠাণ্ডা লাগিলেই সর্দি, কাশি দেখা দেয় বা টাইফয়েড জ্বরের পর হইতে সামান্ত একটু আহারের গোলযোগ ঘটিলেই অম্ল বা অজীর্ণ দেখা দেয়, হাম বা বসস্তের পর হইতে কানের মধ্যে পুঁজ দেখা দেয়, প্রসবের পর হইতে বা গর্ভস্রাবের পর হইতে রক্তস্রাবের প্ররণতা প্রকাশ পায় বা জরায়ুর শিথিলতা প্রকাশ পায় তখন একবার Carbo Veg এর কথা মনে করা উচিত।


অবশ্য তরুণ রোগের চিকিৎসাকালে রোগের কারণ, উপশম, বৃদ্ধি বা বৈচিত্র্যের কথা লইয়াই ক্ষান্ত হইতে পারেন কিন্তু পুরাতন বা চির রোগের চিকিৎসাকালে পিতা-মাতার সাস্থ্য সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা উচিত।


অতএব যখন কোন রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে শুনিব অথবা জানব যে প্রায় অমুক বৎসর পুর্বে বা অমুক সালে একবার অমুক রোগে ভোগেছিলো এবং সেই দিন হইতেই বা তারপর হইতেই সে আর ভাল হয়ে উঠিতে পারে নাই তখনই একবার Carbo Veg এর কথা মনে করিব।

সাস্থ্য হানির এই অতীত কাহিনী Carbo Veg এর একটি বিশিষ্ট পরিচয় (সালফার, সোরিনাম )।


যারা দিনের পর দিন গুরুপাক দ্রব্য ভোজন করিয়।পরিপাক শক্তিকে বিপন্ন করিয়া ফেলিয়াছে এবং বর্তমানে সামান্য কিছু খাইলেই পেট বায়ুতে পূর্ণ হইয়া ওঠে, পেটের মধ্যে জালা করিতে থাকে এবং যাহারা সকল যন্ত্রণার কারণ বা কেন্দ্র হিসাবে পাকস্থলী কে নির্দেশ করে থাকে, তাহাদের পক্ষে প্রায়ই arbo Veg বেশ উপকারে আসে।


পুরাতন রোগে Carbo Veg রোগীর পেট সর্বদাই বায়ুতে পূর্ণ থাকে এবং মুখ বা মলদ্বার দিয়া একটু বায়ুনিঃসরণ হইলে রোগী বেশ আরাম বোধ করে। প্রায় প্রত্যহ সন্ধ্যাকালে তাহার স্বর ভাঙ্গিয়া যায় এবং হাত-পা বেশীক্ষণ ঝুলাইয়া রাখিলে তাহা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হইয়া পড়ে।


মন যেন সর্বদীই উদাসীন, ভালমন্দের বিচার করিতেও ভাল লাগে না। অবশ্য তরুণ রোগে সে এমন উদ্বাসীন নহে। বরং তখন তাহার মধ্যে মৃত্যু ভয় ও অস্থিরতা দেখা দেয় এবং জৈব প্রকৃতি এত দুর্বল হইয়া পড়ে যে, ডাক্তারেরও মনে ভয় হয় বুঝি সে রোগীকে বাচানো যাবে না। কাজ কর্মে আলস্য বা স্পৃহাহীন, যেন কিছুই ভাল লাগে না। দেহ ও মন যেন অলস, অবশ,অসমর্থ। হিমাঙ্গ অবস্থা যদিও তরুণ রোগেই বেশী প্রকাশ পায় কিন্তু জৈব প্রকৃতির দুর্বলতাবশতঃ পুরাতন রোগেও দেখা যায় যে রোগীর পা দুইটি কিন্বা হাটু ছুইটি সর্বদাই হিম-শীতল। কখনও কখনও হাটু হইতে পা পর্যস্ত এত ঠাণ্ডা বলিয়া অনুভব হইতে থাকে যে রোগী তাহা আবৃত রাখিতে বাধ্য হয়। তরুণ রোগে সর্বাঙ্গই বরফের মত ঠাণ্ডা হয়ে আসে, এমন কি শ্বাস-প্রশ্বাস পর্যন্ত ঠাণ্ডা হইয়া যায়। হঠাৎ রক্ত-ভেদ হইয়া হিমাঙ্গ অবস্থা, হিমাঙ্গ অবস্থায় হিক্কা।


হিমাঙ্গ অবস্থায় ঘর্ম ও বাতাসের জন্য ব্যাকুলতা।

কলেরা, নিউমোনিয়া প্রভৃতি তরুণ রোগে রোগী ঘখন হিমাঙ্গ হইয়া পড়ে, শ্বাস-প্রশ্বাস এমন কি জিহবা পর্যন্ত শীতল হইয়া আসে এবং সর্ব শরীর ঘামে ভিজে যায় তখন বাতাসের জন্ত ব্যাকুলতা প্রকাশ পাইলে Carbo Veg অনেক সময় রোগীকে মৃত্যুতধার হইতে ফিরাইয়া আনে। শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুবিধাবশতঃ ই হউক বা অন্য কোন কারণেই হউক Carbo Veg রোগী নিধানকালে বাতাসের জন্য ব্যাকুলতা প্রকাশ করে এবং বাতাস মুখের উপরেই চাহিতে থাকে।

ইহা Carbo Vegএর এত বড় লক্ষণ যে যখনই যে কোন রোগে আমরা দেখিব ষে রোগী বলিতেছে, বাতাস কর, বাতাস কর, তখনই কার্বো ভেজের কথা মনে করিব।

কলেরার হিমাঙ্গ অবস্থায় শুধু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেন? নিশ্বাস পর্যস্ত যখন ঠাণ্ডা হইয়া আসে, রোগী স্বরভঙ্গ হইয়া পড়ে, হাতে-পায়ে খিল ধরিতে থাকে, হিক্কা দেখা দেয়, তখন যদি দেখা যায় রোগী বাতাস কর, বাতাস কর; বলিয়া ব্যাকুলতা প্রকাশ করিতেছে তখন Carbo Veg কে ভুলিবে না (মেভোরিন)।

সময় সময় তরুণ রোগে রোগীর পেট অত্যন্ত ফাপিয়া ফুলিয়া উঠে এবং একটি ঢেকুর উঠিলে বা মলদ্বার দিয়ে বাযুনিঃসরণ হইলে সে উপশম বোধ করে।
কেবল যে পেটফাপা প্রশমিত হয়, তাহা নয়, নানাবিধ যন্ত্রণার উপশম হয়।

পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ুসঞ্চয় ও উদগারে উপশম

Carbo Veg এর রোগীর পেটের মধ্যে সর্বদাই অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চালন হইতে থাকে, পেট সর্বদাই বাযুতে পুর্ণ হয়ে ফুলিয়া ওঠে এবং সঙ্গে সঙ্গে তাহার সকল উপসর্গ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় কিন্তু আবার মুখ দিয়া বা মলদ্বার দিয়ে সামান্য একটু বায়ু নির্গত হলে সে সাময়িক শাস্তিলাভ করে। উদগারে উপশম বলিতে আমি এই কথাই বলিতে চাই যে ঢেঁকুর উঠিলে বা মলদ্বার দিয়া বায়ু নিঃসরণ হইলে সাময়িক উপশমবোধ। পেটের মধ্যে বায়ু সঞ্চালনবশতঃ শুধু যে পেটের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় তাহা নয় এবং উদগার উঠিলে শুধু যে পেটের যন্ত্রনাই কম পড়ে তাহা নয়, মাথাব্যথা, বাতের বেথা প্রভৃতি যাবতীয় যন্ত্রণাই প্রশমিত হয় কিন্তু তাবেশীক্ষণ স্থায়ী হয় না। বায়ু নিঃসরণের পরক্ষণ হতেই পুনরায় পেট ভর্তি হতে থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে সকল যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়। বিশেষতঃ শ্বাসকষ্ট এত বৃদ্ধি পায় যে রাত্রিকালে সে শুইতেই পারে না, নিদ্রা যাইলেই দম বন্ধ হইবার উপক্রম হয় এবং সভয়ে সে জেগে উঠে (ল্যাকেসিস)।


Carbo Veg এ উদগারে উপশম কিন্তু চায়না এবং লাইকোপোডিয়ামের উদগাঁরে উপশম হয় না, বরং বৃদ্ধি পায় কিন্বা যদিও কখনো একটু উপশম হয় তাহাও অতি সাময়িক এবং যৎসামান্য। নিদ্রা যাওয়ার পুর্বে হাটু হইতে পা পর্যস্ত অত্যন্ত ঠাণ্ডা বলিয়া অনুভূত হয়। রক্তের চাপবৃদ্ধিবশতঃ অনিদ্রা। বুকের মধ্যে অস্বস্তি

এত প্রবল যে রোগী মৃত্যুভয়ে অস্থির হইয়া পড়ে। যখন যে পার্শ্ব চেপে শুইয়া থাকে তখনকার মত সেই পার্শ অসাড়হয়ে যায়।


Carbo Veg এর রোগী অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা অতিরিক্ত গরম কোনটাই সহ্য করিতে পারে না। স্নানে অনিচ্ছা, যাহা খাইলে সহ্য হয় না তাই খাইতে চায়।

হাতের তালু অত্যন্ত গরম, হাত পা ঠাণ্ডা, দেহ নীলাভ, মুখ দিয়ে সুতার মত লালা-নিঃসরণ। হিক্কা নড়াচড়ায় বৃদ্ধি।

সন্ধ্যাকালে স্বরভঙ্গ। ইহাও Carbo Veg এর একটি বিশিষ্ট পরিচয়। প্রাতে স্বর বেশ স্বাভাবিক থাকে বটে কিন্তু সন্ধ্যা হইলেই তাহা ভাঙ্গিয়া আসে।


কলেরায় রক্তভেদ হয়ে হিমাঙ্গ অবস্থা দেখা দিবার সঙ্গে সঙ্গে স্বরভঙ্গ রক্ত-আমাশয়ে মলত্যাগকালে শিশুদের ক্রন্দন।

অতিরিক্ত রৌদ্রে বা অগ্নি তাপবশতঃ অসুস্থতা ।


রোগের পরিবর্তনশীলতা - কর্ণমূল প্রদাহ হঠাৎ ভাল হয়ে স্তন বা অগুকোষ প্রদাহ। পালসেটিলা এবং আব্রোটেনামেও এইরূপ পরিবর্তনশীলতা দেখা যায়। কিন্তু পালসেটিলা ও Carbo Veg এর রোগের রূপ অথবা প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটে না, যেমন একটি গ্রস্থি ছাড়িয়া অন্য একটি গ্রন্থি বা একটি স্নায়ু ছাড়িয়া অন্য একটি স্নায়ু আক্রমণ করে। কিন্তু আব্রোটেনাম গ্রন্থি ছাড়িয়া স্নায়ু , স্নায়ু ছাড়িয়া পেশী আক্রমণ করিয়া রোগের নাম বা রূপ অথবা প্রকৃতির বিভিন্নতা প্রকাশ করে।


নিউমোনিয়ায় বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় শব্দ ও শ্বাসকষ্ট, মুখ নীলবর্ণ। এইরূপ লক্ষণ Antim tart এর মধ্যে আছে এবং Antim tart এর রোগীও বাতাস চায়, কপালের উপর ঘর্ম দেখা দেয় কিন্তু Antim tart এর নাকের পাতা যেরূপ প্রসারিত হইয়া পড়িতে থাকে Carbo Veg এ তা নাই এবং Antim tart এর যেরূপ ক্রোধ বা বিরক্তি ভাবা Carbo Veg এ তেমন নয়।


হুপিং কাশি ও বৃদ্ধদের হাপানি এই ছুইটি ক্ষেত্রেও Carbo Veg যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করিয়াছে।

দুধ সহ্য হয় না, লবণ ও মিষ্ট খাইতে ভালবাসে।

জ্বালা ও রক্তস্রাব।

ম্যালেরিয়া জ্বরে অতিরিক্ত কুইনাইন সেবন, পারদের অপব্যবহার বা কোন কঠিন ধরনের তরুণ রোগাক্রমণের পর জীবনীশক্তি যখন প্রায় অচল হয়ে পড়ে, তখন শরীরের নানাস্থান হইতে রক্তশ্রাবের প্রবণতাও প্রকাশ পায়।নাক দিয়ে রক্তস্রাব, মুখ দিয়া রক্তস্রাব, মলদ্বার দিয়া রক্তম্রাব, গর্ভ-স্রাবের পর রক্তস্রাব, প্রসবের পর রক্তস্রাব, ফুল না পরে রক্তস্রাব।


ঋতুকালেও রক্তস্রাব প্রায় এক ঋতু হইতে অন্য ঋতু পর্যন্ত স্থায়ী হয়। গর্ভাবস্থায় রক্তশ্রাব ঘটিয়া গর্ভনাশের উপক্রম হুইলে বা ফুল আটকে থেকে রক্তস্রাব হইতে থাকিলে আমরা অনেক সময় বিপন্ন হইয়া পড়ি। কিন্তু মনে রাখিবেন Carbo Veg এরূপ ক্ষেত্রে প্রায়ই বেশ ফলপ্রদ হয়। চর্ম হইতে রক্তস্রাব (পারপিউরা হেমারিজিকা)।


Carbo Veg এ হিমাঙ্গ অবস্থাও যেমন প্রবল, জ্বালাও তেমনই প্রবল। প্রত্যেক প্রদাহ জ্বালা করিতে থাকে, সবশরীর জ্বালা করিতে থাকে, Carbo Veg এর সকল স্রাবই অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত, ক্ষতকর এবং কৃষ্ণ বর্ণ অর্থাৎ বেশ উজ্জ্বল লালবর্ণ নহে। তাহার মন অত্যন্ত উদ্বাসীন-ভাল তে ও তাহার আনন্দ নাই, মন্দতেও তাহার ছুঃখ নাই। তরুণ রোগে সে অত্যন্ত অস্থির ও মৃত্যুভয়ে কাতর। শিশুরা মারিতে চায়, কামড়াইতে চায়, অদ্ধকার ভীতি।


Carbo Veg যদিও অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা অতিরিক্ত গরম- কোনটাই সহ্য করিতে পারে না তথাপি তাহাকে একটু গরম-কাতর বলিয়াই মনে হয়। তরুণ রোগে সর্বাঙ্গ হিম-শীতল, পুরাতন রোগে হাত এবং পা দুইটি প্রায়ই শীতল বলিয়া অনুভূত হয় এবং রোগী বাতাস খাইতে ভালবাসে।


মাথাধরা বা মন্তিক্ষে রক্তাধিক্য, মাথার পাশ্চাত্যভাগে যন্ত্রণা, মাথা যেন বালিশের মধ্যে চাপিযা যায়, তুলিতে চাহিলেও তুলিতে পারেনা (ওপিয়ম )। সপ্দিগর্মি, অতিরিক্ত রৌদ্র বা অগ্নিতাপের কুফল।


কুইনাইন চাপা পড়িয়া ম্যালেরিয়া জ্বরেও কখন কখন Carbo Veg এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। শীত অবস্থায় পিপাসা, হাম, কার্বাঙ্কল।


পচা মাছ, মাংস ইত্যাদি দূষিত খাবার আহারের পর কলেরা বা উদরাময় দেখা দিলে অনেক সময় Carbo Veg বেশ উপকারে আসে। কলেরা রক্তভেদের সহিত আরম্ভ হয়, হিমাঙ্গ অবস্থায় নাসিকা,আঙুরের প্রান্তভাগ এমন কি শ্বাস-প্রশ্বাস পর্বস্ত ঠাণ্ডা হইয়া যায়, স্বরভঙ্গ, হাত-পায়ে আক্ষেপ, হিক্কা ও বাতাসের জন্য ব্যাকুলতা।


কখন বা ভেদ, বমি, মূত্র প্রভৃতি বদ্ধ হইয়া গিয়া রোগী হিমাঙ্গ হইয়া গাঢ় নিদ্রায় পড়িয়া থাকে। Carbo Veg একটি সুগভির এবং দীর্ঘকাল কার্যকরী ঔষধ। তরুণ ও পুরাতন-দ্বিবিধ রোগেই ব্যবহৃত হয়।


উপদংশের ক্ষত, গ্যাংগ্রীন, শ্বেতপ্রদর, কানে পুঁজ ইত্যাদি যাবতীয় রোগেই Carbo Veg ব্যবহৃত হয়। পারদ ও কুইনাইন ব্যবহারের কুফলও ইহা দ্বারা নষ্ট হয়। রৌদ্র বা অগ্নিতাপের কুফল।


সাধারণতঃ বৃদ্ধ বা বুদ্ধভাবাপন্ন ব্যক্তি অর্থাৎ যেখানে জীবনীশক্তি নিস্তেজ হযে পড়েছে। বৃদ্ধদের গ্যাংগ্রীন (সিকেল )

সদৃশ ঔষধাবলী

হিমাঙ্গ অবস্থা - Arsenic album, Camphor, Medorrhinum , Veratrum album।
Arsenic album ও Veratrum album অত্যন্ত শীতার্ত, Carbo Veg কেবলমাত্র মুখের উপর বাতাস চাহে, Medorrhinum সর্বাঙ্গে বাতাস চাহে।
Camphor এ ঘর্ম দেখ যায় না, অন্যান্য ওষধ গুলি ঘর্মাক্ত।
Camphor, Carbo Veg, Secale cor, Medorrhinum হিমাঙ্গ অবস্থায় আবরণ চাহে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)