এপিডিডাইমাইটিস
পুরুষের Reproduction System এর Important part হলো অন্ডকোষ। অন্ডকোষের উপরের কুন্ডল যুক্ত টিউবটি হলো এপিডিডাইমিস। অন্ডকোষের ভিতরে Spermatogenesis প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাগাতার Sperm তৈরী হতে থাকে। সুতরাং Sperm কে সংরক্ষণের দরকার হয়। আর Epididymis শুক্রাণুকে সংগ্রহ, সঞ্চয় ও বহনের কাজটি করে থাকে।গুরুত্বপূর্ণ এই গ্রান্ডটিতে যখন প্রদাহ হয় তখন তাকে আমরা এপিডিডাইমিটিস বলি। যে কোন বয়সের পুরুষেরা Epididymitis এ আক্রান্ত হতে পারে। এর কারণে এপিডিডাইমিস এবং অন্ডকোষ ফুলে যায়, জ্বালাপোড়া সহ প্রচন্ড ব্যাথা, জ্বর ও অণ্ডকোষটি ফুলে যাওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। Epididymitis এর Chronic অবস্থায় কখনো কখনো অন্ডকোষ ফুলে যায়। এই অবস্থাকে Epididymo-orchitis বলে।
( Epididymitis এর দুইটি From রয়েছে
- Sexually Transmitted from.
- Non-Specific bacterial from. )
Epididymitis হওয়ার পিছনে অনেক গুলো কারণ দায়ী থাকে
- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গনোরিয়া এবং ক্ল্যামাইডিয়া কারণে অল্পবয়স্ক এবং যারা নিয়মিত অবৈধ যৌন মিলন করে থাকেন তাদের মধ্যে এপিডিডাইমিটিস দেখা যায়।
- যৌন মিলনে সক্রিয় নয় এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যৌনবাহিত ব্যতীত যে সকল ব্যাক্টেরিয়া আছে তাদের দ্বারা ইনফেকশন হয়ে থাকে।
- মূত্রনালী ও প্রস্টেটের ইনফেকশনের কারণেও এই রোগ হয়ে থাকে।
- ভারী বস্তু ওঠা-নামানোর জন্য প্রস্রাব পিছনের দিকে প্রবাহিত হয়ে এপিডিডাইমিসে প্রবেশ করে। এর কারণেও এপিডিডাইমিস প্রদাহিত হয়ে Epididymitis হয়ে থাকে।
- কুঁচকিতে কোন ধরনের আঘাতের কারণেও এটি হতে পারে।
- হৃদরোগের বিভিন্ন ঔষধ খাওয়ার জন্যেও এপিডিডাইমিসে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে।
Epididymitis রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আমরা অনেক গুলো লক্ষণ চিহ্নিত করে থাকি:
- এক বা উভয় অণ্ডকোষে ব্যথা, ফোলা, লাল ভাব সহ অণ্ডকোষটি গরম অনুভূত হওয়া।
- আক্রান্ত অণ্ডকোষটি স্বাভাবিক অণ্ডকোষের তুলনায় ভারী অনুভূত হওয়া।
- প্রস্রাব করার সময় ব্যথা
- ঘন ঘন প্রস্রাব করার ইচ্ছা
- প্রস্রাব বা বীর্যপাতের সময় ব্যথা
- প্রস্রাবে বা বীর্যে সাথে রক্ত যাওয়া
- তলপেটে বা পেলভিক এলাকায় ব্যথা বা অস্বস্তি
- সাথে হালকা জ্বর অনুভূত হওয়া।
যে সকল বিষয়ের কারণে এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় সেগুলো হলো:
- অনিরাপদ যৌনসম্পর্ক।
- মূত্রনালীর গঠনগত সমস্যা।
- মূত্রনালীর অপারেশন হওয়া।
- ক্যাথেটার ব্যবহার করা।
- প্রস্টেট বড় হয়ে যাওয়া।
- অ্যামিওডেরন জাতীয় হৃদরোগের ঔষধ গ্রহণ করা।
- খৎনা করা হয়নি এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ও Epididymitis রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
এপিডিডাইমাইটিসের চিকিৎসা:
এপিডিডাইমিটিস থেকে মুক্তি পাওয়ার ইফেক্টিভ মাধ্যম হলো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়া। হোমিওপ্যাথিতে খুব দ্রুত এবং পার্শপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই এপিডিডাইমিটিস ভাল হয়ে যায়।এলোপ্যাথিতে ও এর চিকিৎসা করা হয় তবে এলোপ্যাথি চিকিৎসা চলাকালে যে এন্টিবায়োটিক এবং ব্যথানাশক ঔষধ গুলো প্রয়োগ করা হয় তার পার্শপ্রতিক্রিয়া অনেক গভীর। এন্টিবায়োটিকের যে কোর্সটি দেয়া হয় তার কারণে শতকরা 90% রোগীর অন্ডকোষটি ছুট হয়ে যায়, যাকে আমরা Testicular atrophy বলে থাকি তুলনামূলক বিচারে Epididymitis থেকেও Testicular atrophy এর ব্যাপকতা অনেক বেশি।
বাচ্চা হওয়ার জন্য যে পরিমাণ স্পার্ম এর দরকার, অন্ডকোষটি ছোট হয়ে যাওয়ার কারণে সেই রিকোয়ারমেন্ট ফুলফিল করতে পারেনা যার কারণে আপনি পুরুষ বন্ধ্যাত্বে ভোগবেন। Testicular atrophy নিয়ে পরবর্তী বিস্তারিত আলোচনা করবো।
পরিশেষে Epididymitis আক্রান্ত হলে বা আপনার সন্দেহ হলে দ্রুত একজন রেজিস্টার হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের শরণাপন্ন হন এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

