Cina
Allen's Keynotes
Mental Generals
Physical Generals
Nose
Face
Gastro-intestinal System
Urinary System
Respiratory System
Relation
Allen's Keynotes Bangla
Mental Generals
Physical Generals
Nose
Face
Gastro-intestinal System
Urinary System
Respiratory System
Relation
সিনার প্রথম কথা :- ক্ষুধা, রাক্ষুসে ক্ষুধা।
যারা হোমিওপ্যাথি জানেন বা জানেন না তাঁহারাও অন্তত একথাটি জানেন যে, ছেলেমেয়েদের কৃমি হলে সিনা একটি খুব চমৎকার ঔষধ। কিন্তু হোমিওপ্যাথি কখনও কৃমির চিকিৎসা করে না। ক্রিমি থাকুক বা না থাকুক, সিনার লক্ষণ পাইলে আমরা সিনা দিয়ে থাকি।
সিনার প্রধান লক্ষণ - ক্ষুধা বা রাক্ষুসে ক্ষুধা। সিনা রোগী যত পায় তত খায়, খাইয়া তার আশা যেন মিটে না, আরও চাইতে থাকে এবং খাইতে না পারিলেও চিবাইয়া চিবাইয়া ফেলে দিতে থাকে বা খাবার লইয়া বসে থাকতে চায়। খাবার দেখিলে সে আর নড়িতে পারে না সতৃষ্ণ নয়নে চায়ে থাকে এবং একবার খাইতে বসিলে সহজে উঠিতে চায় না। খাইতে না পাইলে ক্রমাগত ঘ্যান-ঘ্যান করে কাঁদিতে থাকে, বাড়িশুদ্ধ লোককে বিরক্ত করে তুলে। সিনা রোগী আড়ালে রান্নাঘরে কি রান্না হইতেছে তা সে বলে দিতে থাকে। তার সম্পর্কে তার ঘ্রাণ এবং দৃষ্টি এত প্রখর।
তবে কখনও কখনও এইভাবে অত্যধিক আহার করে যখন সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন অনেক সময় সে আর কিছুই খাইতে চায় না। খাবারের মধ্যে মিষ্টই সে অধিক পছন্দ করে। নানাবিধ খাদ্যের আবদার। এইরূপ ক্ষেত্রে সিনা ব্যর্থ হলে সোরিনাম প্রায়ই বেশ উপকারে আসে।
সিনার দ্বিতীয় কথা :- নাক সড়সড় করা এবং দাঁত কড়মড় করা।
সিনা রোগীর নাকের মধ্যে অত্যন্ত সড়সড় করতে থাকে বলে যতক্ষণ সে জেগে থাকে ততক্ষণ প্রায় সর্বদাই নাকের মধ্যে আঙ্গুল দিতে থাকে বা নাক রগড়াইতে থাকে। রাত্রে নিদ্রা যাওয়ার সময় তার দাঁত কড়মড় করতে থাকে। অতএব নিদ্রা এবং জাগরণের এই দুইটি কথা, নাক সড়সড় করা এবং দাঁত কড়মড় করা বিশেষ করে মনে রাখিবেন।
সিনা রোগী প্রায় সর্বদাই তার নাক খুঁটিতে থাকে বা নাক ঘষিতে থাকে। সময় সময় নাক খুঁটিয়া রক্তপাত করে ফেলে। এই লক্ষণটি অ্যারাম ট্রিফেও আছে, তবে অ্যারামে রাক্ষুসে ক্ষুধা নাই, অ্যাসিড ফসেও নাক খুঁটিতে থাকা আছে, কিন্তু সেখানেও এমন রাক্ষুসে ক্ষুধা নাই, তাছাড়া অ্যাসিড ফসের মানসিক লক্ষণ সিনার ঠিক বিপরীত। অতএব পূর্বে যে রাক্ষুসে ক্ষুধার কথা বলেছি তার সঙ্গে এইরূপ নাক খুঁটিতে থাকা বা ঘুমের সময় দাঁত কড়মড় করা বর্তমান থাকলে সকল রোগেই সিনার কথা মনে করা যাইতে পারে।
সিনায় সুনিদ্রার অভাব দেখা যায়। প্রায়ই নানাবিধ ভীতিপ্রদ স্বপ্নে সে চিৎকার করে জেগে উঠে স্বপ্নঘোরে নানাবিধ আবোল তাবোল বকিতে থাকে। দোল না দিলে শিশু ঘুমাইতে চায় না। সিনা রোগী পেটের উপর চাপ দিয়ে শুইতে ভালবাসে। এখন মনে করুন আপনি কোথাও চিকিৎসা করতে গিয়াছেন। দেখিলেন আপনার রোগী উপুড় হয়ে শুইয়া আছে এবং যদি জেগে থাকে তা হলে ক্রমাগত নাক খুঁটিতেছে বা যদি ঘুমিয়ে থাকে তা হলে আবোল তাবোল বকিতেছে বা দাঁত কড়মড় করে উঠিতেছে। এরূপ ক্ষেত্রে রাক্ষুসে ক্ষুধা ইত্যাদির কথা জেনে তাকে সিনা প্রয়োগ করতে কি আপনার অসুবিধা হবে?
কিন্তু মনে রাখিবেন, কেবলমাত্র মেটিরিয়া মেডিকা মুখস্থ করে রাখিলেই চলিবে না অর্থাৎ আমরা যে ঔষধের লক্ষণগুলি পড়ি, কেবল তা ইতিহাস পড়ার মত করে পড়িয়া রাখিলেই কোন ফলোদয় হবে না। ঔষধের স্বরূপ বুঝিয়া সদৃশক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করতে হবে। এবং এই সদৃশক্ষেত্র, এই চিকিৎসা আমাদের পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভর করে। যাঁহার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা নাই, তিনি সমগ্র মেটিরিয়া মেডিকাখানি বা ঔষধের সমস্ত লক্ষণ মুখস্থ করে রাখিলেও চিকিৎসা করতে পারবেন না। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা অতি সূক্ষ্ণ। এইজন্য রোগী কি ভাবে দাঁড়ায়, কি ভাবে বসে, কি ভাবে হাসে, কি ভাবে কথা কয়, ইত্যাদি রোগীর ও রোগ যন্ত্রণার সমস্ত কথা সম্যক উপলব্ধি করতে পারিলে তবে ঔষধ নির্বাচন সম্ভবপর হয়।
সিনার তৃতীয় কথা :- ক্রুদ্ধ স্বভাব ও স্পর্শকাতরতা।
সিনা রোগী অত্যন্ত ক্রুদ্ধ স্বভাবের হয়, সে ক্রমাগত নানাবিধ জিনিস চাইতে থাকে অথচ জিনিস পত্র পাইলেও সে ছুড়িয়া ফেলে দেয়। অনেক সময় বুঝতে পারা যায় না সে কি চাইতেছে এবং অনেক সময় সে নিজেও বুঝে না সে কি চায়। সে ক্রমাগত ঘ্যান ঘ্যান করে কাঁদিতে থাকে। কিছুতেই শান্ত হতে চায় না। তবে খাইতে পাইলে সে প্রায়ই শান্ত মূর্তি ধারণ করে। কিন্তু আবার এত স্পর্শকাতর যে কেহ তার পানে তাকাইলেও সে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে উঠে এবং এ বিরক্ত বা ক্রুদ্ধ হয়ে উঠে যে খাদ্যদ্রব্য ছুঁড়িয়া ফেলে দিয়ে কাঁদিতে আরম্ভ করে। তার গায়ে কেহ হাত দিলেও সে বিরক্ত হয়, তার দ্রব্যে কেহ হাত দিলেও সে বিরক্ত হয়, তার পানে তাকাইলেও সে বিরক্ত হয়। এমন কি সিনা রোগী যদি বুঝতে পারে যে কেহ তার পানে তাকাইতেছে, তা হইল সে আর চক্ষু তুলিয়া চায় না, মুখ ফিরাইয়া নেয় অথবা হঠাৎ ক্রুদ্ধ মূর্তিতে চিৎকার করে কাঁদিতে আরম্ভ করে। আদর যত্নও পছন্দ করে না।
সিনা রোগীর স্বভাব এতই বিশ্রী যে, সময় সময় মনে হবে যে তাকে ‘আচ্ছা’ করে ঘা কতক চড়াইয়া দিলে ভাল হয়। কারণ অনেক সময় সে এমন আব্দার ধরে বসে যে তার প্রতিকারের রাস্তা থাকে না। যেমন ধরুন, সিনা রোগী আপনার সঙ্গে চা পান করতে বসেছে। সে একটু বেশি মিষ্ট পছন্দ করে, কাজেই আরও একটু চিনি চাইলে যদি আপনি চিনি লইয়া তার চায়ে মিশাইয়া দেন, হয়ত সে চটিয়া উঠিবে 'চিনি চায়ে দিলে কেন? তারপর যদি আপনি বিরক্ত হয়ে চিনি লইয়া পুনরায় তার হাতে দেন, তখনও সে বলবে ' চিনি লব না।' চায়ের ভিতর দেখাইয়া দিয়ে বলবে ঐ চিনি তুলে দাও।' এখন বুঝিয়া দেখুন, সিনা রোগী কিরূপ বিশ্রী, ক্রোধী, জেদী, একগুঁয়ে।
সিনা রোগী সময় সময় অপরিচিত লোক দেখিলেও অত্যন্ত ভয় পায়। (ব্যারাইটা কার্বেও এ লক্ষণটি আছে)। সময় সময় তাকে তিরস্কার করলে আক্ষেপ বা তড়কা হতে থাকে। (তিরস্কারের পর ঘুমন্ত অবস্থায় তড়কা - ইগ্নেসিয়া)। ছায়া দেখিয়াও ভয় পায়। আলোক আতঙ্ক, আক্ষেপকালে গলার মধ্যে ঢক্ শব্দ।
আক্ষেপকালে শিশু সটান শক্ত হয়ে যায়, আক্ষেপ রাত্রে বৃদ্ধি পায়, কৃমিবিকার।
সিনার চতুর্থ কথা :- কোলে থাকতে চায়।
সিনা কোলে উঠিয়া বেড়াইতে চায় কিম্বা কোলে বসে দোল খাইতেও ভালবাসে। আদর করা পছন্দ করে না। অপরিচিত ব্যক্তিকে পছন্দ করে না। কখন যে কি চায় তা ঠিক বুঝতে পারা যায় না সর্বদাই বিরক্ত, সর্বদাই ক্রুদ্ধ। পেটের উপর চাপ দিয়ে শুয়ে থাকা বা কোলে চড়িয়া বেড়াইতে চাওয়া মনে রাখিবেন।
ক্যামোমিলা শিশু কোল পাইলেই শান্ত থাকে, সিনা তেমন নয় কোলে থাকিয়াও অশান্ত।
শিশু ক্রমাগত পুরুষাঙ্গ ঘাঁটিতে ভালবাসে (মার্ক, মেডো, ম্যালেন্ডিনাম)।
মেয়েদের যোনিদ্বারে কৃমিজনিত চুলকানি (ক্যালেডিয়াম)। জরায়ু হতে যখন তখন রক্তস্রাব। ক্ষণে ক্ষণে হাই তুলিতে থাকে। মৃগী, কিন্তু জ্ঞান ঠিক থাকে (নাক্স-ভ, নেট্রাম-মি)। গণ্ডদেশে চক্রাকার রক্তিমাভা, মুখ বিবর্ণ। দৃষ্টি ক্লান্ত অথচ কুটিল। সিনা ছেলেমেয়েরা পড়িতে বসিলেই মাথাব্যথায় কষ্ট পেতে থাকে। অনসমোডিয়াম ঔষধটিও এরূপ ক্ষেত্রে খুব চমৎকার। জ্বর প্রায় প্রতিদিন একই সময়ে আসে এবং রাত্রে বৃদ্ধি পায়, রোগী সর্বদাই আবৃত থাকতে ভালবাসে। আক্ষেপ বা তড়কা, বমি বা বমনেচ্ছা, ডায়রিয়া (স্যাবাডিলা দেখ)। সিনার ক্ষুধা প্রবল বটে কিন্তু পিপাসা নাই বললেও চলে-মাত্র জ্বরের উত্তাপ অবস্থায় পিপাসা। তবে উত্তাপ অবস্থায় জ্বরের বৃদ্ধিকালে রোগী ঘুমিয়ে পড়ে। সিনার জ্বর কখনও কখনও ক্ষণে ক্ষণে উঠা নামা করতে থাকে, অর্থাৎ এইমাত্র ১০৪ ডিগ্রী, দুই-তিন ঘন্টা পড়ে একেবারে ৯৯ ডিগ্রী, আবার দুই-তিন ঘন্টা পর হয়ত ১০২ ডিগ্রী। মানসিক লক্ষণও অত্যন্ত খেয়ালী, কি চায় বা কি চায় না নিজেই বুঝতে পারে না, সর্বদা অসন্তুষ্ট, সর্বদা রুষ্ট। একটু ধূর্তও বটে-কে কি বলতেছে, কে কি করতেছে সব দিকে তার লক্ষ্য থাকে এবং যদি বুঝতে পারে তার সম্পর্কে বলা হইতেছে অমনি বিরক্ত হয়ে পড়ে। জিহ্বা বেশ পরিষ্কার অর্থাৎ ময়লা বা ক্লেদযুক্ত নয়। ইহাও সিনার একটি অন্যতম বিশিষ্ট লক্ষণ। তবে কোন কোন স্থানে জিহ্বা ক্লেদযুক্তও দেখা যায়। নাসিকা হতে রক্তপাত। কানের মধ্যে ক্রমাগত আঙ্গুল দেওয়া। চক্ষু বর্ণসঙ্কট বা চোখের কোনো বর্ণই প্রতিভাত হয় না। (পুরাতন ক্ষেত্রে ধাতুগত দোষের চিকিৎসা বাঞ্ছনীয়)। বমি, বমনেচ্ছা। সিনা রোগী অনেক সময় আহার করবামাত্র বমি করে ফেলে কিম্বা বলতে থাকে তার বমি পাচ্ছে। সর্বদাই মুখে জল উঠিতে থাকে। সিনা সম্পর্কে এ কথাটিও মনে রাখিবেন। জ্বর বলুন, কলেরা বলুন, জিহ্বা পরিষ্কার থাক বা অপরিষ্কার থাক ক্রমাগত মুখে জল উঠিতে থাকলে সিনাকে ভুলিবেন না। গণ্ডদেশে চক্রাকার রক্তিমাভা। চোখের কোলে কালি। নাভির চারিদিকে ব্যথা। ভেদ ও বমি-আহার মাত্রেই বৃদ্ধি। কোষ্ঠকাঠিন্য। শোথ। মৃগী। ধনুষ্টঙ্কার। হিক্কা। ডায়রিয়াে মলের বর্ণ সাদা, অম্ল গন্ধ। সবুজ বর্ণের শ্লেষ্মা মিশ্রিত রক্ত আম। প্রস্রাব ঘোলাটে সাদা বর্ণ। সিনা শিশু প্রস্রাব করলে প্রায়ই দেখা যায় তা সাদা বা ঘোলাটে বর্ণ। ইহা সিনার একটি বিশিষ্ট পরিচয়। দুধের মত সাদা প্রস্রাব (এপিস, লাইকো, ফস অ্যাসিড, সালফার)। হুপিং কাশি নড়াচড়া বা কথা বলতে গেলেই কাশি। বুকের মধ্যে ঘড় ঘড় শব্দ। কাশির সঙ্গে হাঁচি। ব্রঙ্কাইটিস। মাতৃস্তন্যে অনিচ্ছা। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এর ব্যতিক্রমও দেখা যায়। মাথাঘোরা, শুইয়া থাকলে ভাল থাকে। হাইড্রোসেফালাস বা মাথায় জল-জমা-মাথা অত্যন্ত গরম এবং পদদ্বয় অত্যন্ত শীতল। চোখের দৃষ্টিতে জ্বর বা ডায়রিয়া অথবা কলেরায় উপযুক্ত ঔষধ ব্যর্থ হতে থাকলে সিনা বেশ উপকারে আসে। ফোড়া হতে পরিষ্কারভাবে পুঁজ নির্গত হতে না থাকলেও ক্ষেত্রেবিশেষে সিনা ব্যবহৃত হয়। সিনার পর সোরিনাম প্রায়ই বেশ উপকারে আসে।
সদৃশ ঔষধাবলী ও পার্থক্য বিচার
টিউক্রিয়াম মারুম ভারুম - ইহাও কৃমি রোগের আর একটি মহৌষধ। ডাক্তার বার্নেট বলেন যারা দদ্র (দাদ) অথবা রুমিরোগে ভুগিতে থাকেন, তাঁহারা অনেক সময় যক্ষ্মা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। এইজন্য দেখা গিয়াছে যে টিউক্রিয়াম যক্ষ্মারোগেও বেশ ফলপ্রদ।
বিশেষত যাদের নাকের মধ্যে পলিপাস জন্মে এবং ঘুমের সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাকের মধ্যে দুর্গন্ধ হয়, রক্ত পড়িতে থাকে তাদের পক্ষে ইহা খুব ফলপ্রদ। ঘ্রাণশক্তির অভাব, চোখের পাতায় টিউমার, টিউক্রিয়ামের প্রধান লক্ষণ - রাত্রে শয্যাগ্রহণ করলেই মলদ্বার এত সড়সড় করতে থাকে অর্থাৎ কৃমির উৎপাত আরম্ভ হয় যে রোগী নিদ্রা যাইতে পারে না। ছোট ছোট কৃমির পক্ষে ইহা চমৎকার ঔষধ। (কেঁচো কৃমির জন্য নাভির চারিপাশে ব্যথা সিনা)।
জ্বরের উত্তাপ অবস্থায় বাচালতা। গান গাহিবার অদম্য ইচ্ছা। শিশুদিগের স্তন্যপান করার পর হিক্কা। দুর্গন্ধ বায়ু নিঃসরণ। নাক খুঁটিতে থাকে। কিন্তু সিনা রোগী যেরূপ স্পর্শকাতর হয় অর্থাৎ তার গায়ে হাত দেওয়া বা তার দিকে তাকাইয়া দেখা পছন্দ করে না, টিউক্রিয়ামে তা নাই।
কেহ কেহ বলে যক্ষ্মাগ্রস্ত রোগীর ফুসফুসে ক্ষত প্রকাশ পাইলে মারুম ভারুম টিউক্রিয়াম অপেক্ষা টিউক্রিয়াম স্করোড অধিক ফলপ্রদ।
শোথ, মস্তিষ্কে আঘাতজনিত আক্ষেপ, নখকুনি (আলুমিনা, কস্টিকাম, কলচিকাম, গ্র্যাফাইটিস, কেলি কার্ব, নেট্রাম-মি, নাইট-অ্যা, ফস-অ্যা, প্লাম্বাম, সাইলি, সালফ, থুজা, Tub.,) কিন্তু মারুম ভারুম সম্পর্কে আর একটি বিশিষ্ট কথা এই যে যেখানে বহু ঔষধ সেবনজনিত স্নায়বিক দোষ দাঁড়াইয়া গিয়াছে সেখানে ইহা প্রায়ই বেশ উপকারে আসে।
ফিলিক্স মাস - কোষ্ঠবদ্ধতার সঙ্গে কৃমির উৎপাত, নাক চুলকাইতে থাকে। চোখের কোণ ক্যালিবর্ণ। পেটবথ্যা। দৃষ্টিহীনতা।
পেটব্যথা-
ক্রোধজনিত পেটব্যথা - কলোসিন্থ।
শীতল পানীয় সেবনে - অ্যাকো, আর্স, রাস টক্স।
আহারমাত্রে পেটব্যথা - ক্যাল্কোরিয়া ফস।
উপবাসজনিত পেটব্যথা - গ্র্যাফাইটিস, ল্যাকেসিস, পেট্রোলিয়াম।
চর্বিযুক্ত দ্রব্য সেবনে - পালস।
ফলমূল খাইয়া পেটব্যথা - কলোসিন্থ, চায়না, পালস, লাইকোপোডিয়াম, ভিরেট্রাম।
ভয় পাওয়ার পর - গ্লাসিয়া, প্ল্যাটিনা।
দুধ খাইয়া পেটব্যথা - ম্যাগ্নেসিয়া-মি, সালফার।
আলু খাইয়া পেটব্যথা - অ্যালুমিনা, কলোসিন্থ।
কুলপী বরফ খাইয়া পেটব্যথা - আর্সেনিক, ইপিকাক।
মাংস খাইয়া পেটব্যথা - কেলি বাই।
টিকাজনিত পেটব্যথা - থুজা।
কোষ্ঠবদ্ধতাজনিত পেটব্যথা - সাইলিসিয়া, থুজা, ওপিয়াম, প্লাম্বাম।
সীসা শূল বা লেড কলিক - অ্যালুমেন, অ্যালুমিনা, কলোসিন্থ, ওপিয়াম, প্লাম্বাম।
পেটব্যথা চেপে ধরিলে উপশম - কলোসিন্থ, ম্যাগ-ফস, নেট্রাম সালফ, প্লাম্বাম, পডো, স্ট্যানাম।
আহারে উপশম - চেলিডোনিয়াম, গ্র্যাফাইটিস, ল্যাকেসিস, কেলি বাই, মেডোরিনাম, নেট্রাম কার্ব, পেট্রোলিয়াম, ফসফরাস, অ্যানাকার্ডিয়াম, হিপার।
ব্যথা চলিয়া বেড়াইলে উপশম - চায়না, পেট্রোলিয়াম।
উত্তাপ প্রয়োগে উপশম - আর্স, কষ্টি, চেলিডোনি, লাইকো, ম্যাগ- ফ, নাক্স, সাইলিসিয়া।
শুইয়া পড়িলে উপশম - গ্র্যাফা, লাইকো।
